ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
দেবোত্তর সম্পত্তি

জিউ মন্দিরের ২শ’ কোটি টাকা উদ্ধার

  • আপলোড সময় : ১৪-০৭-২০২৪ ১২:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-০৭-২০২৪ ১২:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন
জিউ মন্দিরের ২শ’ কোটি টাকা উদ্ধার
রাজধানীর মতিঝিলে লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ মন্দিরের প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের ৩৬ শতাংশ দেবোত্তর সম্পত্তি উদ্ধার করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। গতকাল শনিবার সকাল থেকে অভিযানটি পরিচালনা করেন মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান। উদ্ধার করা জমি হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টকে বুঝিয়ে দেয়া হবে।
জানা গেছে, মতিঝিলে বিভিন্ন দাগে রেকর্ডের ধারাবাহিকতায় লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ ঠাকুর ম্যানেজিং সেবাইত সুজিত কুমার বসু, পিং সচিন্দ্র নাথ বসু, সাং নম্বর হরিশ চন্দ্র বাবু স্ট্রিট বাংলা বাজার, ঢাকার নামে সর্বশেষ সিটি রেকর্ড রয়েছে। উক্ত দেবোত্তর সম্পত্তি সেবাইতরা রক্ষণাবেক্ষণ না করে কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধ স্থাপনা দোকানঘর করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করছে। মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কয়েকজন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধভাবে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের ৩৬ শতাংশ দেবোত্তর সম্পত্তি বেদখল করে রেখেছিল। ঢাকা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উচ্ছেদ করে উক্ত সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, নির্মাণাধীন এই ভবন ভেঙে এখানে নতুন মন্দির তৈরি করা হবে। কিছুদিন আগে এখানে আনসার ক্যাম্প ছিল। সেটি সরানোর পর প্রভাবশালী একটি মহল ক্রয়সূত্রে মালিকের ভুয়া কাগজ দেখিয়ে জায়গাটি দখল করে। পরে বিষয়টি মন্দির কমিটির নজরে এলে আবেদন করা হয়। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় এই উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। হিন্দু ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত পাল জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই ৩৬ শতাংশ জায়গা অবৈধ দখলদারদের হাতে ছিল। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে আমাদের সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করি। পরে তিনি এসিল্যান্ডের মাধ্যমে তদন্ত করেছেন যে এটি দেবোত্তর সম্পত্তি কি না। তদন্ত শেষে সত্যতা পাওয়ায় তারা এটি হিন্দু ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্টকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেন। আমরা এখানে একটি মন্দির নির্মাণ করবো। আগেও এখানে মন্দির ছিল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা নির্মল গোস্বামী, পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রতন দত্ত, ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি পার্থ সারথি।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স